Waaree-এর অনুমোদিত চ্যানেল পার্টনার · সেবক রোড, শিলিগুড়ি @solarverseindia

হোম / আমাদের কাজের এলাকা / দার্জিলিং

দার্জিলিং, কালিম্পং ও পাহাড়ে রুফটপ সোলার

হোটেল, হোমস্টে, স্কুল ও বাড়ি। পাহাড়ের প্রতিটি ছাদ আলাদাভাবে সিমুলেট করা।

পাহাড়ের ছাদ সমতলের নিয়মে চলে না। ঢাল, ছাদ কোন দিকে মুখ করে, পেছনের শৈলশিরা আর সকালের মেঘ এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়িতে হিসাব বদলে দেয়, তাই দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং ও মিরিকে আমরা যে সাইটই নিই, সেটি আলাদাভাবে সিমুলেট করি। Solarverse Solutions Waaree-এর অনুমোদিত চ্যানেল পার্টনার হিসেবে শিলিগুড়ির সেবক রোড থেকে গোটা পাহাড়ে কাজ করে।

এক নজরে দার্জিলিং

বিদ্যুৎ সরবরাহকারীWBSEDCL (পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি)
রুফটপের নিয়মWBERC রুফটপ সোলার (প্রোজিউমার) রেগুলেশনস, 2025। 1 kW থেকে 500 kW বা আপনার কন্ট্র্যাক্ট ডিমান্ড, যেটি কম, সেই পর্যন্ত নেট মিটারিং। উদ্বৃত্ত ইউনিট এক বিল থেকে পরের বিলে যায় এবং 1 এপ্রিল শূন্য হয়ে যায়।
আনুমানিক উৎপাদনপরিকল্পনার জন্য প্রতি kWp-তে দিনে প্রায় 3.0 থেকে 3.4 ইউনিট, তবে পাহাড়ের প্রতিটি ছাদ আলাদাভাবে সিমুলেট করা হয়
সমতল জমিতে রোদগড়ে দিনে প্রতি m²-এ 4.07 kWh; সবচেয়ে বেশি এপ্রিলে (4.7), সবচেয়ে কম জানুয়ারিতে (3.5)
দুপুরের সূর্য21 ডিসেম্বর দিগন্ত থেকে 40° ওপরে, 21 জুন 86°
দিনের আলো21 ডিসেম্বর 10 ঘণ্টা 26 মিনিট, 21 জুন 13 ঘণ্টা 51 মিনিট
শীতে প্যারাপেটের ছায়াদক্ষিণ দিকের 3 ফুট প্যারাপেট 21 ডিসেম্বর দুপুরে ছাদের প্রায় 3.6 ফুট, আর সকাল 9টায় 4.9 ফুট ছায়ায় ঢাকে। প্যানেল বসে তার পর থেকে।
বাড়ির ভর্তুকিDCR প্যানেলে বাড়ির জন্য পিএম সূর্য ঘর কেন্দ্রীয় সহায়তা, 3 kW স্তর পর্যন্ত। পরিমাণ ও প্রক্রিয়া।

রোদ, মাস ধরে ধরে

3.5J3.9F4.4M4.7A4.6M4.3J4.0J4.1A3.8S4.1O3.9N3.5D
সমতল জমিতে দিনের গড় রোদ, প্রতি m²-এ kWh; ড্যাশ রেখা = বছরের গড়। সূত্র: NASA POWER, 27.04° N, 88.26° E-তে 2001–2020-এর গড়। সূর্যের কোণ ও ছায়ার হিসাব অয়নান্ত দিবস ধরে করা। পাহাড়ে স্যাটেলাইটের গ্রিড মোটা দাগের, পাহাড়ের প্রতিটি ছাদ আমরা সিমুলেট করি তার এটাও একটা কারণ।
স্থানীয় অভিজ্ঞতা

দার্জিলিংয়ে কী আলাদা

ঠান্ডা হাওয়া সাহায্য করে

গরম হলে প্যানেলের উৎপাদন কমে যায়। পাহাড়ের ঠান্ডা হাওয়া প্যানেলকে সমতলের গরম ছাদের চেয়ে রেটেড ক্ষমতার কাছাকাছি রাখে, যা মেঘলা সকালের ঘাটতি কিছুটা পুষিয়ে দেয়।

লম্বা লাইনে ব্যাকআপ

জঙ্গলের মধ্য দিয়ে লম্বা ওভারহেড লাইন মানে বেশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট। আলো, পাম্প ও Wi-Fi চালু রাখতে হোটেল, স্কুল ও হোমস্টে প্রায়ই লিথিয়াম ব্যাটারি সহ হাইব্রিড প্ল্যান্ট বেছে নেয়।

ঢাল, ধাপ ও হাওয়া

ঢালু টিনের ছাদ, ধাপে ধাপে ছাদ আর খোলা শৈলশিরা, প্রতিটির জন্য আলাদা কাঠামো ও ফিক্সিং লাগে, সাইটের হাওয়ার কথা ভেবে ডিজাইন করা।

পাহাড়ে মালপত্র তোলা

প্যানেল, কাঠামো ও ব্যাটারি সরু রাস্তা দিয়ে ওপরে ওঠে। আমরা আবহাওয়া আর আপনার গেট পর্যন্ত শেষ রাস্তাটুকুর কথা ভেবে ডেলিভারির পরিকল্পনা করি।

আমাদের কাজের জায়গা

দার্জিলিংয়ের আশেপাশে যে শহরগুলোতে আমরা কাজ করি

বাড়ি, দোকান, হোটেল, হাসপাতাল, স্কুল, মিল ও কারখানা।

  • দার্জিলিং শহর, ঘুম ও সোনাদা
  • কার্শিয়াং, ডাউহিল ও রোহিণী
  • কালিম্পং, আলগাড়া ও লাভা
  • মিরিক ও সুখিয়াপোখরি
  • পেডং, লোলেগাঁও ও রিশপ
  • বিজনবাড়ি ও পাহাড়ের চা বাগান
প্রশ্নোত্তর

দার্জিলিংয়ে যা জিজ্ঞেস করা হয়

এত কুয়াশা আর মেঘের মধ্যে দার্জিলিংয়ে কি সোলার কাজ করে?

হ্যাঁ, তবে সমতলের মতো সমানভাবে নয়। সকালগুলো প্রায়ই মেঘলা থাকে আর বর্ষা লম্বা, তাই পাহাড়ের ছাদের জন্য আমরা কখনো সমতলের হিসাব দিই না। সংখ্যা দেওয়ার আগে পাহাড়ের প্রতিটি সাইট তার নিজের ঢাল, দিক ও ছায়া ধরে সিমুলেট করা হয়।

পাহাড়ের হোটেল বা হোমস্টের কি হাইব্রিড সোলার নেওয়া উচিত?

বিদ্যুৎ বিভ্রাটই যদি মূল সমস্যা হয়, তাহলে হ্যাঁ। হাইব্রিড প্ল্যান্টে লিথিয়াম ব্যাটারি যোগ হয়, আর গ্রিড চলে গেলে বাছাই করা সার্কিটগুলো চালু থাকে। ব্যাটারি কেনা হয় ব্যাকআপের জন্য, সাশ্রয়ের জন্য নয়, তাই আপনার যত ঘণ্টা বিদ্যুৎ চালু রাখা দরকার সেই অনুযায়ী আমরা ব্যাটারির সাইজ ঠিক করি।

দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে কি নেট মিটারিং পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। পাহাড়ও WBSEDCL-এর আওতায়, আর পশ্চিমবঙ্গের বাকি অংশের মতোই WBERC 2025 নেট মিটারিং নিয়ম মেনে চলে। আমরা আবেদন জমা দিই এবং পরিদর্শনের খোঁজখবর রাখি।

দার্জিলিংয়ের জন্য সোলার, লিখিতভাবে

শেষ তিনটি বিদ্যুৎ বিল আর ছাদের একটি ছবি WhatsApp-এ পাঠান। কিনুন বা না কিনুন, লিখিত সাইজিং পাবেন।